১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে জীবনবাজী
রেখে যারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ)
আহমেদ আলী। উনি জন্মগ্রহন করেছিলেন ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে টাংগাইল জেলার মধুপুর
উপজেলার রক্তিপাড়া গ্রামে। পিতা মোঃ আইন উদ্দিন একজন আদর্শ কৃষক, মাতা ময়ূরী বেগম
সুগৃহিনী।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আহমেদ আলীর প্রাথমিক শিক্ষা গাংগাইর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে রাণী ভবানী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি, ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে করটিয়া সা’দত কলেজ থেকে এইচ এস সি এবং ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এব বি বি এস ডিগ্রী অর্জন করেন।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আহমেদ আলীর প্রাথমিক শিক্ষা গাংগাইর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে রাণী ভবানী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি, ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে করটিয়া সা’দত কলেজ থেকে এইচ এস সি এবং ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এব বি বি এস ডিগ্রী অর্জন করেন।
১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে সিনিয়র হাউজ
সার্জন পদে যোগ দেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে ২৮ মার্চ
মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন, সেকেন্ড বেঙ্গল ৩নং সেক্টরে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ
আর্মিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে লেফনেন্ট বিগ্রেডিয়ারে কমিশন হয়। ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল পদ থেকে অবসর নেন
১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার পুন্ডুরা গ্রামের মোঃ আফাজ উদ্দিনের মেয়ে সুফিয়া
আক্তারের সাথে শুভ বিয়ে সম্পন্ন হয়। পারিবারিক জীবনে তিনি ছিলেন ২ সন্তানের জনক।
ছেলে সফি আহমেদ, কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং মেয়ে আফরীন আহমেদ একজন গৃহিনী।
তিনি বলেন “মুক্তিযুদ্ধে
প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধ করেছি। এখন সৃষ্টিকর্তার ইবাদত ও মানবসেবায় জীবনের বাকী
সময়টুকু পার করতে চাই।“

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন