আশিকা আকবর ঢাকার নামকরা ভিকারুন নুন নিসা স্কুল থেকে ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে
মেয়েদের মধ্যে সারা বাংলাদেশে ৫ম স্থান অধিকার করে এস.এস.সি. পাস করেন, ১৯৭০
খ্রিষ্টাব্দে হলিক্রস কলেজ থেকে লেটার মার্কসহ প্রথম বিভাগে এইচ.এস.সি. উত্তীর্ণ
হয়ার কারণে এওয়ার্ড অব একাডেমিক এক্সিলেন্স পুরষ্কার লাভ করেন। পরে তিনি সেন্ট্রাল
উইমেন্স কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। এ সময় তিনি কলেজ ছাত্র সংসদে জি.এস.
নির্বাচিত হন।
ততকালীন
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাগদল গঠনের সময়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সদস্য পদ
লাভ করেন। টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের আহবায়ক হিসাবে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। ১৯৮০
খ্রিষ্টাব্দে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহ্মানের রাষ্টীয় সফর সঙ্গী হিসেবে রুমানিয়া,
তুরস্ক প্রভৃতি দেশ ভ্রমণ করেন। ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে পিতা নবাবজাদা হাসান আলী
চৌধুরীর মৃত্যুর পর টাঙ্গাইল-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি.) মনোনীত
প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভের মধ্য দিয়ে ঐ বছর সারা বাংলাদেশের একমাত্র
মহিলা এম.পি. হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য পদ লাভ করেন।
১৯৭১
খ্রিষ্টাব্দে স্টেট ব্যাংকের গভর্ণর জালাল উদ্দিন আহমদ এর পুত্র কম্পিউটার
বিজ্ঞানী আকবর উদ্দিন আহমেদ এর সঙ্গে পরিণয় সূত্রে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সংসার
জীবনে তিনি দুই পুত্র ও তিন কন্যার আদর্শ জননী।
ধনবাড়ীতে
মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বল্পতা উপলব্ধি করে ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে স্বামীর সাথে
যৌথ উদ্দোগে নিজ মায়ের নামে ‘আছিয়া হাসান আলী মহিলা কলেজ’ নামে একটি কলেজ
প্রতিষ্ঠা করেন। এই কলেজ নির্মাণে তার পৈতৃক সম্পদ আকাতরে ব্যয় করেছেন। এছাড়াও
দাদীর নামে ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন সাকিনা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ
বিদ্যালয়, নবাব প্রাইমারী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা তিনি, হাসান ইন্টারন্যশনাল স্কুলের
দাতা সদস্য এবং আবতাবুন্নেসা হাফিজিয়া মাদ্রাসার দাতা সদস্য তিনি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন